Contents
self written stories, poems,musics, self photography,self creations, crafting etc..
Thursday, July 9, 2026
কবিতা (জীবন-ভার)
জীবন-ভার
অনিন্দিতা দেব(৯/৭/২০২৬)
ভেবেছিলেম গল্প করে কাটিয়ে দেবো রাত
রাত কেটে হবে এক নূতন প্রভাত।
হলো না তো এক নূতনের শুরু
ভাবতে ভাবতেই হয়ে গেলাম বুড়ো।।
দিলে না তো আমায় আমারটুকু
নিংড়ে নিলে তুমি আমার সবটুকু।
ভালাওবাসাবাসিতে হেরে গেলাম আমি
সবটা নিয়ে জিতে গেলে তুমি।।
নিজের বলতে সংসার হলো না।
একটা জীবন তাই সাজানো হলো না
যাযাবরের মতো জীবন যাচ্ছে কেটে
অচিরে সব ইচ্ছেগুলো মরছে কেঁদে।।
চাই নে, চাই নে আর সুখের দ্বার
বেলা যে গড়ায়, থাক, শুধু দুঃখটুকুই থাক।
Tuesday, June 30, 2026
ক্ষমা
অনিন্দিতা দেব
(২০২০ সালে করোনা মহামারীর সময়ে রচিত)
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গের মত
যদি কোনো এক প্রভাতে আমাদেরও স্বপ্নভঙ্গ হতো?
যদি দেখতে পেতাম সুন্দর সেই ধরিত্রীকে।
যদি প্রাণবায়ু থেমে না যেতো অক্সিজেনের অভাবে
যদি মুখোশের আড়ালে সেই সুন্দর মুখগুলো আবার হাসতো প্রাণভরে..?
যদি লাশের পর
লাশের সারি না থাকতো গোরস্থান কিংবা শ্মশানে-
যদি লাশের গন্ধ মুক্ত হতো ধরিত্রী -
যদি আবার স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
ছেলেমেয়েদের কলতানে মুখর হতো..
ইসস্ এগুলো যদি শুধুই দুঃস্বপ্ন হতো!
জানি প্রভু, জানি, প্রকৃতি তার শোধ নিচ্ছে।
তবুও হে প্রভু, হে মহান স্রষ্টা, হে দয়াময় দয়া করে সঞ্জীবনী সুধামৃত দাও প্রভু।
তোমার এ ধরণীতল তুমি সুস্থ করে তোলো।মুক্ত করো সমগ্র বিশ্বকে।
তুমি ক্ষমা করো তোমার সন্তানদের।
বাংলা
অনিন্দিতা দেব
বাংলা আমার ভাষা
আমি বাংলায় বাঁধি আশা।
বাংলা আমার মায়ের মুখের
হাসি আর ভালোবাসা।
বাংলা শিশুর কলতানে -
মুখরিত মায়ের আশা।
বাংলা নব-নবীনের-
আবাল-বৃদ্ধ- বণিতার
স্বাধীনতার প্রত্যাশা।
বাংলা শুধু নয় তোমার -আমার
বাংলা সে তো আমাদের।
এই বাংলাকে ভালোবাসি
বাংলাদেশ মোদের দেশ।
কোটি বাঙালি, কোটি প্রাণ
মোরা বাংলায় আছি তো বেশ।
১২আগষ্ট, ২০২৫
Thursday, June 25, 2026
সেই কটকটি সাল থেকে এখন অব্দি দামী পোশাককেই মানুষ প্রাধান্য দেয় বেশি।
আর আমি সাদামাটাভাবেই চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি..
আমি কখনোই চাই নি আমার পরিচয় আমার বাইরের আবরণ বহন করুক,সবসময় চেয়েছি কর্মের মাঝেই পরিচয় হোক আমার। মোল্লা নাসিরুদ্দিন এর গল্পটি আমার প্রায়ই মনে পড়ে..
গল্পের প্রেক্ষাপট:
এক ধনী ব্যক্তি তার বাড়িতে একটি বড় ভোজের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে এলাকার গণ্যমান্য অনেক ব্যক্তি আমন্ত্রিত ছিলেন। কিন্তু সাধারণ পোশাক পরায় দরিদ্র নাসিরুদ্দিন হোজ্জাকে কেউ পাত্তাই দিল না।
যা ঘটেছিল:
প্রথম দিন সাধারণ পোশাকে যাওয়ায় হোজ্জা ঠিকমতো খাবার পাননি এবং তাকে সবাই এড়িয়ে চলেছিল। পরের দিন তিনি অত্যন্ত মূল্যবান ও জমকালো দামি পোশাক পরে ওই ধনী ব্যক্তির দাওয়াতে হাজির হলেন। এবার সবাই তাকে দেখেই সম্মান জানিয়ে খাবারের টেবিলে বসাল এবং নানা পদের সুস্বাদু খাবার সামনে এনে হাজির করল।
তবে অবাক করার মতো কাণ্ড ঘটালেন হোজ্জা। তিনি নিজে খাওয়ার বদলে প্লেট থেকে পোলাও, মাংস ও সুস্বাদু খাবারগুলো তুলে নিজের দামি পোশাকের পকেটে এবং হাতা (sleeve) গুঁজে দিতে লাগলেন আর বলতে লাগলেন, "খাও, হে আমার জমকালো পোশাক! এই রাজকীয় খাবার তোমারই প্রাপ্য!"
উপস্থিত সবাই তো অবাক! তারা হোজ্জাকে জিজ্ঞেস করল, "হুজুর, এ কী করছেন আপনি? কেউ কি কখনো পোশাককে খাবার খাওয়াতে দেখেছে?"
উত্তরে হোজ্জা মুচকি হেসে বললেন, "পোশাক যদি খাবার না-ই খাবে, তবে গতকালের দাওয়াতে যখন আমার গায়ে সাধারণ পোশাক ছিল, তখন আপনারা আমাকে কোনো খাবার দেননি কেন? আর আজ দামি পোশাক পরায় আপনারা এত খাতির করছেন। আপনারা তো আমাকে নয়, আমার এই দামি পোশাককেই আপ্যায়ন করছেন! তাই এদেরই খাবার খাওয়াচ্ছি।"
গল্পের শিক্ষা:
এই কৌতুকপূর্ণ ঘটনার মাধ্যমে নাসিরুদ্দিন হোজ্জা সমাজে মানুষের বাহ্যিক রূপ ও পোশাক-আশাক দেখে মূল্যায়ন করার হিপোক্রেসি বা ভণ্ড নীতিকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন।।
গতকালকের একটি ঘটনা আমাকে গল্পটি মনে করিয়ে দিল।
গেলাম ঔষধ আনতে।ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনু্যায়ী কম্পাউন্ডার ঔষধ দিয়ে আমাকে পড়ে পড়ে বুঝিয়ে দিলেন আর আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, "বলেন তো কি কি বলেছি?"
আমি বললাম, বুঝেছি।
কম্পাউন্ডার :না,বলেন।
আমি আবারো বললাম, বুঝেছি।
নাহ।এটা তার মনমতো হলো না।
বাবা বললো, আরে ঔষধগুলো দিয়ে দাও।সে এগুলো নিয়েই পড়াশোনা করেছে।
লোকটা বিব্রতবোধ করল।যেটা আমি চাইনি।উনি আসলে আমার পোশাক দেখে ভেবেই নিয়েছে যে, আমি পড়ালেখা জানি না।
এইরকম আমার সাথে হরহামেশাই হয়।আমি এসব কাণ্ড থেকে মনে মনে বেশ মজা পাই।অন্যরকম স্মৃতির ভাণ্ডার জমা করি।তবুও আমি সাধারণভাবে চলতে থাকি..
অনিন্দিতা দেব
২৫/৬/২০২৬
Sunday, September 3, 2023
https://youtube.com/shorts/S1dElcrDxhw?si=bkNieat3vNSPQFYT
রুইমাছের কালিয়া:
ভিডিওশর্টস নিচের লিংক
https://youtube.com/shorts/S1dElcrDxhw?si=bkNieat3vNSPQFYT
রেসিপি :
রুইমাছের টুকরো ভেজে নিতে হবে।
এক কাপ পেঁয়াজকুচি সাথে ৩/৪টে কাঁচামরিচ তেলে ভেজে নিতে হবে। তারপর সামান্য ঘি,সামান্য আদা বাটা,
হলুদ-মরিচ, ধনিয়া, জিরার গুড়া,
লবণ স্বাদমতো,২টা তেজপাতা ছিঁড়ে নিতে হবে,এক কাপ ফেটানো টকদই, সামান্য চিনির মিশ্রণ তৈরি করে ভাজা পেঁয়াজকুচির সাথে নেড়েচেড়ে ভাজামাছগুলো দিয়ে সামান্য জল দিয়ে অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রান্না করলেই তৈরি হয়ে যাবে মজাদার রুইমাছের কালিয়া।
খুবই সুস্বাদু এই রেসিপিটি একবার হলেও রান্না করে খেয়ে দেখবেন।
Thursday, August 31, 2023
Subscribe to:
Posts (Atom)

















